নওগাঁ ০৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার :
মহাদেবপুর দর্পণ.কম ও সাপ্তাহিক মহাদেবপুর দর্পণের পরীক্সষমূলক সম্প্রচারে আপনাকে স্বাগতম ## আপামর মেহনতি মানুষের অকুন্ঠ ভালোবাসায় সিক্ত নওগাঁর নিজস্ব পত্রিকা ## নওগাঁর ১১ উপজেলার সব খবর সবার আগে ## মহাদেবপুর দর্পণ একবার পড়ুন, ভালো না লাগলে আর পড়বেন না ## যেখানে অনিয়ম সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ ## যেখানে দূর্নীতি, অন্যায়, অবিচার সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে ## মহাদেবপুর দর্পণের ফেসবুক আইডিতে ফলো দিয়ে সঙ্গেই থাকি ##

রাণীনগর-আত্রাই উপজেলার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো<<মহাদেবপুর দর্পণ>>

মহাদেবপুর দর্পণ, কিউ, এম, সাঈদ টিটো, নওগাঁ, ১০ এপ্রিল ২০২১ :

নওগাঁয় ছোট যমুনা নদীর ওপর গড়ে ওঠা একমাত্র বাঁশের সাঁকোই ভরসা দুই উপজেলার শতাধিক গ্রামের মানুষের। জেলার রাণীনগর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে ছোট যমুনার নদীর ওপর তৈরি এ বাঁশের সাঁকোটি ভুপনার ঘাট নামে পরিচিত।

ছোট যমুনা নদীর দুই তীরে জেলার রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলা। শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাঁকো ও আর বর্ষায় নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হয় বাসিন্দাদের। একটি সেতুর অভাবে দুই উপজেলার মানুষ বছরের পর বছর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে আসছে।

রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলাকে পৃথক করেছে ছোট যমুনা নদী। নদীর পূর্ব পাশে রাণীনগর উপজেলার কৃষ্ণপুর, মালঞ্চি, গোনা, ঘোষগ্রাম, কাশিমপুর, ভবানীপুর, মির্জাপুর ও মিরাপুরসহ প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাম। নদীর পশ্চিম পাশে আত্রাই উপজেলার শাহাগোলা ইউনিয়ন পরিষদ, কালিকাপুর, হাটকালুপাড়া, আটগ্রাম, হরপুর, বাউল্লা, তারানগর, শৈলিয়া, লালুয়া, গোন্ডগোহালীসহ প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাম। এছাড়া রাজশাহী জেলার বাগমারা ইউনিয়ন পরিষদ অবস্থিত।

রাণীনগর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে ছোট যমুনার নদীর উপর বাঁশের সাঁকো। যা ভুপনার ঘাট নামে পরিচিত। এ ঘাট দিয়ে দুই উপজেলার শতাধিক গ্রামের বাসিন্দা বছরের পর বছর চলাচল করে। প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে ৩ থেকে ৪ হাজার মানুষ চলাচল করে।যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত না হওয়ায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন। বর্ষা মৌসুমে নদীতে যখন পানি থাকে তখন নৌকা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারপার হতে হয়।

রাণীনগর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন ও মালঞ্চি গ্রামের আমিনুলসহ অনেকেই বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরেও এ নদীর ওপর সেতু নির্মাণ হয়নি। বাপ-দাদার পাশাপাশি আমাদের ও বর্তমান প্রজন্মের জীবন কেটে যাচ্ছে বাঁশের সাঁকো আর নৌকা দিয়ে পারাপারে। বর্ষা মৌসুমে নৌকায় করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে গিয়ে নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এলাকার উন্নয়নে নদীর ওপর একটি ব্রিজ নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে।

আত্রাই উপজেলার আটগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি শহীদুল ইসলাম বলেন, প্রয়াত সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলমের সময়ে একনেক একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ১০-১২ বার ঘাটে এসে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজও করে গেছে। কিন্তু আজও আলোর মুখ দেখেনি।

নওগাঁ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মাকসুদুল আলম বলেন, এই বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ পরবর্তী নিদের্শনা দিলে কাজ শুরু করা হবে।#

আপলোডকারীর তথ্য

সর্বোচ্চ পঠিত

রাণীনগর-আত্রাই উপজেলার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো<<মহাদেবপুর দর্পণ>>

প্রকাশের সময় : ০৭:১৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১

মহাদেবপুর দর্পণ, কিউ, এম, সাঈদ টিটো, নওগাঁ, ১০ এপ্রিল ২০২১ :

নওগাঁয় ছোট যমুনা নদীর ওপর গড়ে ওঠা একমাত্র বাঁশের সাঁকোই ভরসা দুই উপজেলার শতাধিক গ্রামের মানুষের। জেলার রাণীনগর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে ছোট যমুনার নদীর ওপর তৈরি এ বাঁশের সাঁকোটি ভুপনার ঘাট নামে পরিচিত।

ছোট যমুনা নদীর দুই তীরে জেলার রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলা। শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাঁকো ও আর বর্ষায় নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হয় বাসিন্দাদের। একটি সেতুর অভাবে দুই উপজেলার মানুষ বছরের পর বছর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে আসছে।

রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলাকে পৃথক করেছে ছোট যমুনা নদী। নদীর পূর্ব পাশে রাণীনগর উপজেলার কৃষ্ণপুর, মালঞ্চি, গোনা, ঘোষগ্রাম, কাশিমপুর, ভবানীপুর, মির্জাপুর ও মিরাপুরসহ প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাম। নদীর পশ্চিম পাশে আত্রাই উপজেলার শাহাগোলা ইউনিয়ন পরিষদ, কালিকাপুর, হাটকালুপাড়া, আটগ্রাম, হরপুর, বাউল্লা, তারানগর, শৈলিয়া, লালুয়া, গোন্ডগোহালীসহ প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাম। এছাড়া রাজশাহী জেলার বাগমারা ইউনিয়ন পরিষদ অবস্থিত।

রাণীনগর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে ছোট যমুনার নদীর উপর বাঁশের সাঁকো। যা ভুপনার ঘাট নামে পরিচিত। এ ঘাট দিয়ে দুই উপজেলার শতাধিক গ্রামের বাসিন্দা বছরের পর বছর চলাচল করে। প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে ৩ থেকে ৪ হাজার মানুষ চলাচল করে।যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত না হওয়ায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন। বর্ষা মৌসুমে নদীতে যখন পানি থাকে তখন নৌকা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারপার হতে হয়।

রাণীনগর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন ও মালঞ্চি গ্রামের আমিনুলসহ অনেকেই বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরেও এ নদীর ওপর সেতু নির্মাণ হয়নি। বাপ-দাদার পাশাপাশি আমাদের ও বর্তমান প্রজন্মের জীবন কেটে যাচ্ছে বাঁশের সাঁকো আর নৌকা দিয়ে পারাপারে। বর্ষা মৌসুমে নৌকায় করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে গিয়ে নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এলাকার উন্নয়নে নদীর ওপর একটি ব্রিজ নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে।

আত্রাই উপজেলার আটগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি শহীদুল ইসলাম বলেন, প্রয়াত সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলমের সময়ে একনেক একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ১০-১২ বার ঘাটে এসে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজও করে গেছে। কিন্তু আজও আলোর মুখ দেখেনি।

নওগাঁ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মাকসুদুল আলম বলেন, এই বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ পরবর্তী নিদের্শনা দিলে কাজ শুরু করা হবে।#