নওগাঁ ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার :
মহাদেবপুর দর্পণ.কম ও সাপ্তাহিক মহাদেবপুর দর্পণের পরীক্সষমূলক সম্প্রচারে আপনাকে স্বাগতম ## আপামর মেহনতি মানুষের অকুন্ঠ ভালোবাসায় সিক্ত নওগাঁর নিজস্ব পত্রিকা ## নওগাঁর ১১ উপজেলার সব খবর সবার আগে ## মহাদেবপুর দর্পণ একবার পড়ুন, ভালো না লাগলে আর পড়বেন না ## যেখানে অনিয়ম সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ ## যেখানে দূর্নীতি, অন্যায়, অবিচার সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে ## মহাদেবপুর দর্পণের ফেসবুক আইডিতে ফলো দিয়ে সঙ্গেই থাকি ##

পত্নীতলায় আগাছানাশকে পুড়ে দেয়া হলো তিন বিঘা জমির ধান

মহাদেবপুর দর্পণ, পত্নীতলা (নওগাঁ), ২৬ অক্টোবর ২০২৪ : পুড়ে যাওয়া ধানক্ষেতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষী সামছুল হক---ছবি : সাঈদ টিটো

মহাদেবপুর দর্পণ, কাজী সাঈদ টিটো, নওগাঁ, ২৬ অক্টোবর ২০২৪ :
নওগাঁর পত্নীতলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষরা আগাছানাশক স্প্রে করে তিন বিঘা জমির আধাপাকা ধান পুড়ে দিয়েছে। ফলে এই জমির সব ধান বিনষ্ট হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে লক্ষাধিক টাকার। মহাদেবপুর উপজেলার পার্শ্ববর্তী পত্নীতলা উপজেলার মাটিন্দর ইউনিয়নের সিংহন্দি মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
মহাদেবপুর উপজেলার হাতুড় ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের মৃত চান মোহাম্মদের ছেলে সামছুল হক অভিযোগ করেন যে, তার পিতা ১৯৮৪ সালে মহাদেবপুর উপজেলার মালাহার গ্রামের মকবুল হোসেনের কাছ থেকে পত্নীতলা উপজেলার সিংহন্দি মৌজায় মোট তিন বিঘা জমি কিনেন। এখন পর্যন্ত তিনি এটা ভোগ দখল করে আসছেন। কিন্তু পিতার মৃতু্যর পর মকবুল হোসেনের ওয়ারিশরা ওই জমি তাদের বলে দাবি করেন। এবছর জানুয়ারি মাসে ওই জমিতে সামছুল হকের লাগানো ধান সন্ত্রাসী কায়দায় কেটে নিয়ে যায় মৃত মকবুল হোসেনের দুই ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ও মানিক উদ্দিন গং। এব্যাপারে পত্নীতলা থানায় অভিযোগ দিলে থানা পুলিশ রাজ্জাক ও মানিক উদ্দিনকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেন।
এবার সামছুল হক ওই জমিতে স্বর্ণা-৩ জাতের ধান লাগান। আর কিছুদিন পরেই সে ধান কাটা হতো। কিন্তু সম্প্রতি ওই জমিতে প্রতিপক্ষরা আগাছানাশক প্রয়োগ করে। ফলে ধানগাছ পুড়তে শুরু করে। শনিবার (২৬ অক্টোবর) সরেজমিনে ওই জমিতে গিয়ে দেখা যায়, ধানগাছগুলো বিবর্ণ রঙ ধারণ করেছে। ধানের শীষগুলো পুড়ে গেছে। এগুলো এখন চিটায় পরিণত হবে। এই জমিতে কমপক্ষে ৭৫ মণ ধান উৎপন্ন হতো। এগুলো বিনষ্ট হওয়ায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে সামছুল হক জানান। তিনি এব্যাপারে আদালতে মামলা করবেন বলেও জানান।
জানতে চাইলে মোবইলফোনে প্রতিপক্ষ মানিক উদ্দিন জানান, তারা নওগাঁর পত্নীতলা সহকারি জজ আদালতে মকবুল হোসেনের বিরুদ্ধে দলিল রদের মামলা করে একতরফা ডিগ্রী হাসিল করেছেন। সামছুল হক জানান, তারা ওই মামলার বিষয়ে কিছুই জানতেন না। তাদেরকে কোন নোটিশ না দিয়ে একতরফা ডিগ্রী হয়েছে। জানতে পেরে ওই ডিগ্রীর বিরুদ্ধে একটি ছানি মামলা দায়ের করেছেন। সেটি এখনও বিচারাধীন রয়েছে।
আপলোডকারীর তথ্য

সর্বোচ্চ পঠিত

পত্নীতলায় আগাছানাশকে পুড়ে দেয়া হলো তিন বিঘা জমির ধান

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪
মহাদেবপুর দর্পণ, কাজী সাঈদ টিটো, নওগাঁ, ২৬ অক্টোবর ২০২৪ :
নওগাঁর পত্নীতলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষরা আগাছানাশক স্প্রে করে তিন বিঘা জমির আধাপাকা ধান পুড়ে দিয়েছে। ফলে এই জমির সব ধান বিনষ্ট হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে লক্ষাধিক টাকার। মহাদেবপুর উপজেলার পার্শ্ববর্তী পত্নীতলা উপজেলার মাটিন্দর ইউনিয়নের সিংহন্দি মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
মহাদেবপুর উপজেলার হাতুড় ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের মৃত চান মোহাম্মদের ছেলে সামছুল হক অভিযোগ করেন যে, তার পিতা ১৯৮৪ সালে মহাদেবপুর উপজেলার মালাহার গ্রামের মকবুল হোসেনের কাছ থেকে পত্নীতলা উপজেলার সিংহন্দি মৌজায় মোট তিন বিঘা জমি কিনেন। এখন পর্যন্ত তিনি এটা ভোগ দখল করে আসছেন। কিন্তু পিতার মৃতু্যর পর মকবুল হোসেনের ওয়ারিশরা ওই জমি তাদের বলে দাবি করেন। এবছর জানুয়ারি মাসে ওই জমিতে সামছুল হকের লাগানো ধান সন্ত্রাসী কায়দায় কেটে নিয়ে যায় মৃত মকবুল হোসেনের দুই ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ও মানিক উদ্দিন গং। এব্যাপারে পত্নীতলা থানায় অভিযোগ দিলে থানা পুলিশ রাজ্জাক ও মানিক উদ্দিনকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেন।
এবার সামছুল হক ওই জমিতে স্বর্ণা-৩ জাতের ধান লাগান। আর কিছুদিন পরেই সে ধান কাটা হতো। কিন্তু সম্প্রতি ওই জমিতে প্রতিপক্ষরা আগাছানাশক প্রয়োগ করে। ফলে ধানগাছ পুড়তে শুরু করে। শনিবার (২৬ অক্টোবর) সরেজমিনে ওই জমিতে গিয়ে দেখা যায়, ধানগাছগুলো বিবর্ণ রঙ ধারণ করেছে। ধানের শীষগুলো পুড়ে গেছে। এগুলো এখন চিটায় পরিণত হবে। এই জমিতে কমপক্ষে ৭৫ মণ ধান উৎপন্ন হতো। এগুলো বিনষ্ট হওয়ায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে সামছুল হক জানান। তিনি এব্যাপারে আদালতে মামলা করবেন বলেও জানান।
জানতে চাইলে মোবইলফোনে প্রতিপক্ষ মানিক উদ্দিন জানান, তারা নওগাঁর পত্নীতলা সহকারি জজ আদালতে মকবুল হোসেনের বিরুদ্ধে দলিল রদের মামলা করে একতরফা ডিগ্রী হাসিল করেছেন। সামছুল হক জানান, তারা ওই মামলার বিষয়ে কিছুই জানতেন না। তাদেরকে কোন নোটিশ না দিয়ে একতরফা ডিগ্রী হয়েছে। জানতে পেরে ওই ডিগ্রীর বিরুদ্ধে একটি ছানি মামলা দায়ের করেছেন। সেটি এখনও বিচারাধীন রয়েছে।