নওগাঁ ০৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার :
মহাদেবপুর দর্পণ.কম ও সাপ্তাহিক মহাদেবপুর দর্পণের পরীক্সষমূলক সম্প্রচারে আপনাকে স্বাগতম ## আপামর মেহনতি মানুষের অকুন্ঠ ভালোবাসায় সিক্ত নওগাঁর নিজস্ব পত্রিকা ## নওগাঁর ১১ উপজেলার সব খবর সবার আগে ## মহাদেবপুর দর্পণ একবার পড়ুন, ভালো না লাগলে আর পড়বেন না ## যেখানে অনিয়ম সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ ## যেখানে দূর্নীতি, অন্যায়, অবিচার সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে ## মহাদেবপুর দর্পণের ফেসবুক আইডিতে ফলো দিয়ে সঙ্গেই থাকি ##

সাপাহারের উমইল পশুরহাট : সরকারী খাস কালেকশনেও অতিরিক্ত টোল আদায়<<মহাদেবপুর দর্পণ>>

মহাদেবপুর দর্পণ, বাবুল আকতার, স্টাফ রিপোর্টার, সাপাহার (নওগাঁ), ১৩ জুলাই ২০২১ :

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার উমইল কোরবানীর পশুর হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত খাজনা নেওয়ার ফলে ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সীমান্তবর্তী এই উপজেলার উমইল বাজারে প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবারে গরুর হাট বসে। গবাদী পশু কেনাবেচার জন্য বড় হাট হওয়ায় এলাকার মানুষের ভরষাস্থল এই হাট। গত পহেলা বৈশাখ ১৮২৮ বাংলা সনে এই পশুর হাটটির ইজারা না হবার ফলে প্রতি সপ্তাহে সরকারীভাবে খাস আদায় করা হয়। সে অর্থ রাজস্ব খাতে জমা হয়। সরকারীভাবে প্রতি গরুর খাজনা চারশ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু হাটে পশু কিনতে আসা ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, গরুপ্রতি পাঁচশ’ টাকা খাজনা নেওয়া হচ্ছে। যা সরকার নির্ধারিত খাজনার থেকে অতিরিক্ত একশ’ টাকা। এছাড়াও বিক্রেতাদের কাছ থেকে গরুপ্রতি ২০/৩০ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন বিক্রেতারা।

মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) দুপুরে উমইল হাটে গরু কিনতে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা বলেন, ‘কোরবানীর গরু কিনেছি ৪৫ হাজার টাকায়। খাজনা দিয়েছি পাচশ’ টাকা।’ আরেকজন ক্রেতার সাথে কথা হলে তিনি জানান, দুইটি গরুর খাজনা নিয়েছে এক হাজার টাকা।

এবিষয়ে হাটের দায়িত্বে থাকা ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন বক্তব্য না দিয়ে সাক্ষাতে কথা বলার জন্য বলেন।

উমইল হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা এটার দায়িত্বে আছেন। তবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কথা নয়। বিষয়টি নিয়ে আমি তাদের সাথে কথা বলবো।’#

আপলোডকারীর তথ্য

সর্বোচ্চ পঠিত

সাপাহারের উমইল পশুরহাট : সরকারী খাস কালেকশনেও অতিরিক্ত টোল আদায়<<মহাদেবপুর দর্পণ>>

প্রকাশের সময় : ০৩:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১

মহাদেবপুর দর্পণ, বাবুল আকতার, স্টাফ রিপোর্টার, সাপাহার (নওগাঁ), ১৩ জুলাই ২০২১ :

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার উমইল কোরবানীর পশুর হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত খাজনা নেওয়ার ফলে ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সীমান্তবর্তী এই উপজেলার উমইল বাজারে প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবারে গরুর হাট বসে। গবাদী পশু কেনাবেচার জন্য বড় হাট হওয়ায় এলাকার মানুষের ভরষাস্থল এই হাট। গত পহেলা বৈশাখ ১৮২৮ বাংলা সনে এই পশুর হাটটির ইজারা না হবার ফলে প্রতি সপ্তাহে সরকারীভাবে খাস আদায় করা হয়। সে অর্থ রাজস্ব খাতে জমা হয়। সরকারীভাবে প্রতি গরুর খাজনা চারশ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু হাটে পশু কিনতে আসা ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, গরুপ্রতি পাঁচশ’ টাকা খাজনা নেওয়া হচ্ছে। যা সরকার নির্ধারিত খাজনার থেকে অতিরিক্ত একশ’ টাকা। এছাড়াও বিক্রেতাদের কাছ থেকে গরুপ্রতি ২০/৩০ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন বিক্রেতারা।

মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) দুপুরে উমইল হাটে গরু কিনতে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা বলেন, ‘কোরবানীর গরু কিনেছি ৪৫ হাজার টাকায়। খাজনা দিয়েছি পাচশ’ টাকা।’ আরেকজন ক্রেতার সাথে কথা হলে তিনি জানান, দুইটি গরুর খাজনা নিয়েছে এক হাজার টাকা।

এবিষয়ে হাটের দায়িত্বে থাকা ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন বক্তব্য না দিয়ে সাক্ষাতে কথা বলার জন্য বলেন।

উমইল হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা এটার দায়িত্বে আছেন। তবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কথা নয়। বিষয়টি নিয়ে আমি তাদের সাথে কথা বলবো।’#