নওগাঁ ০৬:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার :
মহাদেবপুর দর্পণ.কম ও সাপ্তাহিক মহাদেবপুর দর্পণের পরীক্সষমূলক সম্প্রচারে আপনাকে স্বাগতম ## আপামর মেহনতি মানুষের অকুন্ঠ ভালোবাসায় সিক্ত নওগাঁর নিজস্ব পত্রিকা ## নওগাঁর ১১ উপজেলার সব খবর সবার আগে ## মহাদেবপুর দর্পণ একবার পড়ুন, ভালো না লাগলে আর পড়বেন না ## যেখানে অনিয়ম সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ ## যেখানে দূর্নীতি, অন্যায়, অবিচার সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে ## মহাদেবপুর দর্পণের ফেসবুক আইডিতে ফলো দিয়ে সঙ্গেই থাকি ##

মহাদেবপুরে সক্রিয় ভয়াবহ নিগো’ সিন্ডিকেটে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

মহাদেবপুর দর্পণ, মহাদেবপুর (নওগাঁ), ১ অক্টোবর ২০২৪ : সরকারি ডাকের পর সেখানেই মোটা টাকা দিয়ে কিনে নেয়া মালামাল নিয়ে যাচ্ছেন ভাঙারী ব্যবসায়ী নুরে আলম---ছবি : সাঈদ টিটো

মহাদেবপুর দর্পণ, কাজী সাঈদ টিটো, মহাদেবপুর (নওগাঁ), ১ অক্টোবর ২০২৪ :

নওগাঁর মহাদেবপুরে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে একটি ভয়াবহ নিগো’ সিন্ডিকেট। যেকোন বিষয়ে নিলাম ডাকের সময় এই সিন্ডিকেটের সদস্যদের বেআইনী তৎপরতায় সরকার মোটা অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্বৈরাচার আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় ক্যাডারদের নিয়ে গঠিত এই সিন্ডিকেট পরিবর্তীত পরিস্থিতিতেও সমান তালে কাজ করে যাচ্ছে। ফলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গঠিত সরকারের সংস্কারের বিষয় মাঠে মারা যাচ্ছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে এই সিন্ডিকেটের অশুভ তৎপরতা বন্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, উপজেলার যেকোন স্থানে হাট, ঘাট, পুকুর, গাছ, পুরনো বিল্ডিং ও অন্যান্য সামগ্রী নিলাম ডাকের সময় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নিয়ে গঠিত সিন্ডিকেটের সদস্যরা নিলামের স্থানে গিয়ে প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সাথে লিয়াজো করে পরিস্থিতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। এরপর নিজেদের মধ্যে নিগোশিয়েট করে অল্প কয়েকজন সদস্য নিলাম ডাকে অংশ নিয়ে সামান্য অর্থ দিয়ে নিলাম ডেকে নেয়। নিলাম ডাকের স্থানেই তাদের ডেকে আনা পছন্দের ব্যবসায়ীদের কাছে সেগুলো মোটা টাকায় বিক্রি করে দেয়। এভাবে পাওয়া মোটা অংকের লাভের টাকা উপস্থিত সিন্ডিকেট সদস্যরা ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়। এদের তৎপরতা বন্ধ হলে প্রকৃত ব্যবসায়ীরাই মূল পর্বে ডাক দিতে পারবেন। এতে সরকার প্রকৃত রাজস্ব পাবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের খাজুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন ভাঙ্গা রড ও টিন নিলামে বিক্রির আয়োজন করা হলে সেখানে চিহ্নিত নিগো’ সিন্ডিকেটের কমপক্ষে ২০ জন সদস্য উপস্থিত হন। এরা কেউই ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী না হলেও ডাকে অংশ নিতে যায়। তারা নিজেদের মধ্যে নিগোশিয়েট করে মাত্র ৫ জন ডাক দেয়। মালামালগুলোর সরকারি ডাকমূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৮ হাজার টাকা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগীতায় তারা মালামালগুলো সরকারি ডাকমূল্য থেকে মাত্র ২০০ টাকা বেশি দিয়ে মালামালগুলো জায়েজ করে নেয়। এঘটনার পরপরই তারা ওই স্কুলেই নিলাম ডাকের স্থানে স্থানীয় ভাঙাড়ি ব্যবসায়ীর কাছে মালামালগুলো ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়। সেখান থেকে লাভ হওয়া মোটা অংকের টাকা উপস্থিত সিন্ডিকেট সদস্যরা ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়।

স্বৈরাচার আমল থেকে স্থানীয় দুজন সাংবাদিক এই সিন্ডিকেটে নেতৃত্ব দেন। এদের একজন একটি টিভি চ্যানেলের লোগো ও মোটরসাইকেলে স্টিকার লাগিয়ে ঘুরে বেড়ালেও কোনরকম খবর লিখতে পারেন না। সাংবাদিকতার প্রভাব খাটিয়ে সিন্ডিকেট পরিচালনা করছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবরকম নিলামের সময় তাদেরকেই খবর দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরিবর্তীত পরিস্থিতিতে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতাও এই সিন্ডিকেটে যোগ দিয়েছেন। তারা গত ১৬ বছর যারা সিন্ডিকেট চালিয়েছে তাদেরকে পুনর্বাসন করছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে খাজুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, নুরে আলম নামে স্থানীয় একজন ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী ওই বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ থেকে একটি মিনি ট্রাকযোগে নিলামের মালামালগুলো নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জানান, সরকারি ডাকের পরপরই তিনি সেখান থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকায় মালামালগুলো কিনে নিয়েছেন। সিন্ডিকেট সদস্যরা তাকে সরকারি নিলাম ডাকে অংশ নিতে দেয়নি। সেখানে ডাকার সুযোগ পেলে তিনি ৬০ হাজার টাকাই ডাকতেন বলেও জানান।

জানতে চাইলে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম জানান, ৫ জন ডাকে অংশ নেন। সর্বোচ্চ ডাক ১৮ হাজার ২০০ টাকা ওঠায় তিনি তা দিয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, বুজরকান্তপুরের এক ব্যক্তির নামে ডাকে গাছগুলো বিক্রি করা হয়। ডাকের পরপরই সেখানে অন্য ব্যবসায়ীর কাছে ওই মালামাল ৬০ হাজার টাকায় কিভাবে বিক্রি হলো সেব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারেননি। ডাককারির পরিবর্তে অন্য ব্যবসায়ী মালামালগুলো কেন নিয়ে যাচ্ছেন তাও তিনি বলতে পারেননি।

ডাক অনুষ্ঠানে উপস্থিত উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে মালামালগুলোর সম্ভাব্য দাম ১৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করে দেয়ায় এর চেয়ে ২০০ টাকা বেশি দামে মালামালগুলো নিলামে বিক্রি করা হয়। এখানে কোন সিন্ডিকেট কাজ করেছে কিনা তা তিনি জানাতে পারেননি। জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী সৈকত দাস জানান, একজন উপসহকারি প্রকৌশলী সরেজমিনে গিয়ে মালামালগুলোর সম্ভাব্য দাম নির্ধারণ করেছেন। তবে দাম এতো কম কেন হলো তা তিনি খতিয়ে দেখবেন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আরিফুজ্জামানকে জানানো হলে তিনি এব্যাপারে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

স্থানীয়রা এই নিগো’ সিন্ডিকেট ভাংতে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নেয়া ট্রেড লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীদের নিলাম ডাকে অংশ নেয়ার বিধান করার দাবি জানান।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব রবিউল আলম বুলেট জানান, যারা অবৈধ সিন্ডিকেটে সুবিধাভোগ করছেন তারা বিএনপির কেউ নয়। ৫ আগস্টের পর একটি গ্রুপ নিজেদের আখেড় গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি ওই সব নামধারীদের যেকোন মূল্যে প্রতিহত করার আহ্বান জানান।

আপলোডকারীর তথ্য

সর্বোচ্চ পঠিত

মহাদেবপুরে সক্রিয় ভয়াবহ নিগো’ সিন্ডিকেটে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০২৪

মহাদেবপুর দর্পণ, কাজী সাঈদ টিটো, মহাদেবপুর (নওগাঁ), ১ অক্টোবর ২০২৪ :

নওগাঁর মহাদেবপুরে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে একটি ভয়াবহ নিগো’ সিন্ডিকেট। যেকোন বিষয়ে নিলাম ডাকের সময় এই সিন্ডিকেটের সদস্যদের বেআইনী তৎপরতায় সরকার মোটা অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্বৈরাচার আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় ক্যাডারদের নিয়ে গঠিত এই সিন্ডিকেট পরিবর্তীত পরিস্থিতিতেও সমান তালে কাজ করে যাচ্ছে। ফলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গঠিত সরকারের সংস্কারের বিষয় মাঠে মারা যাচ্ছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে এই সিন্ডিকেটের অশুভ তৎপরতা বন্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, উপজেলার যেকোন স্থানে হাট, ঘাট, পুকুর, গাছ, পুরনো বিল্ডিং ও অন্যান্য সামগ্রী নিলাম ডাকের সময় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নিয়ে গঠিত সিন্ডিকেটের সদস্যরা নিলামের স্থানে গিয়ে প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সাথে লিয়াজো করে পরিস্থিতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। এরপর নিজেদের মধ্যে নিগোশিয়েট করে অল্প কয়েকজন সদস্য নিলাম ডাকে অংশ নিয়ে সামান্য অর্থ দিয়ে নিলাম ডেকে নেয়। নিলাম ডাকের স্থানেই তাদের ডেকে আনা পছন্দের ব্যবসায়ীদের কাছে সেগুলো মোটা টাকায় বিক্রি করে দেয়। এভাবে পাওয়া মোটা অংকের লাভের টাকা উপস্থিত সিন্ডিকেট সদস্যরা ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়। এদের তৎপরতা বন্ধ হলে প্রকৃত ব্যবসায়ীরাই মূল পর্বে ডাক দিতে পারবেন। এতে সরকার প্রকৃত রাজস্ব পাবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের খাজুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন ভাঙ্গা রড ও টিন নিলামে বিক্রির আয়োজন করা হলে সেখানে চিহ্নিত নিগো’ সিন্ডিকেটের কমপক্ষে ২০ জন সদস্য উপস্থিত হন। এরা কেউই ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী না হলেও ডাকে অংশ নিতে যায়। তারা নিজেদের মধ্যে নিগোশিয়েট করে মাত্র ৫ জন ডাক দেয়। মালামালগুলোর সরকারি ডাকমূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৮ হাজার টাকা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগীতায় তারা মালামালগুলো সরকারি ডাকমূল্য থেকে মাত্র ২০০ টাকা বেশি দিয়ে মালামালগুলো জায়েজ করে নেয়। এঘটনার পরপরই তারা ওই স্কুলেই নিলাম ডাকের স্থানে স্থানীয় ভাঙাড়ি ব্যবসায়ীর কাছে মালামালগুলো ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়। সেখান থেকে লাভ হওয়া মোটা অংকের টাকা উপস্থিত সিন্ডিকেট সদস্যরা ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়।

স্বৈরাচার আমল থেকে স্থানীয় দুজন সাংবাদিক এই সিন্ডিকেটে নেতৃত্ব দেন। এদের একজন একটি টিভি চ্যানেলের লোগো ও মোটরসাইকেলে স্টিকার লাগিয়ে ঘুরে বেড়ালেও কোনরকম খবর লিখতে পারেন না। সাংবাদিকতার প্রভাব খাটিয়ে সিন্ডিকেট পরিচালনা করছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবরকম নিলামের সময় তাদেরকেই খবর দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরিবর্তীত পরিস্থিতিতে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতাও এই সিন্ডিকেটে যোগ দিয়েছেন। তারা গত ১৬ বছর যারা সিন্ডিকেট চালিয়েছে তাদেরকে পুনর্বাসন করছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে খাজুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, নুরে আলম নামে স্থানীয় একজন ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী ওই বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ থেকে একটি মিনি ট্রাকযোগে নিলামের মালামালগুলো নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জানান, সরকারি ডাকের পরপরই তিনি সেখান থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকায় মালামালগুলো কিনে নিয়েছেন। সিন্ডিকেট সদস্যরা তাকে সরকারি নিলাম ডাকে অংশ নিতে দেয়নি। সেখানে ডাকার সুযোগ পেলে তিনি ৬০ হাজার টাকাই ডাকতেন বলেও জানান।

জানতে চাইলে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম জানান, ৫ জন ডাকে অংশ নেন। সর্বোচ্চ ডাক ১৮ হাজার ২০০ টাকা ওঠায় তিনি তা দিয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, বুজরকান্তপুরের এক ব্যক্তির নামে ডাকে গাছগুলো বিক্রি করা হয়। ডাকের পরপরই সেখানে অন্য ব্যবসায়ীর কাছে ওই মালামাল ৬০ হাজার টাকায় কিভাবে বিক্রি হলো সেব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারেননি। ডাককারির পরিবর্তে অন্য ব্যবসায়ী মালামালগুলো কেন নিয়ে যাচ্ছেন তাও তিনি বলতে পারেননি।

ডাক অনুষ্ঠানে উপস্থিত উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে মালামালগুলোর সম্ভাব্য দাম ১৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করে দেয়ায় এর চেয়ে ২০০ টাকা বেশি দামে মালামালগুলো নিলামে বিক্রি করা হয়। এখানে কোন সিন্ডিকেট কাজ করেছে কিনা তা তিনি জানাতে পারেননি। জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী সৈকত দাস জানান, একজন উপসহকারি প্রকৌশলী সরেজমিনে গিয়ে মালামালগুলোর সম্ভাব্য দাম নির্ধারণ করেছেন। তবে দাম এতো কম কেন হলো তা তিনি খতিয়ে দেখবেন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আরিফুজ্জামানকে জানানো হলে তিনি এব্যাপারে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

স্থানীয়রা এই নিগো’ সিন্ডিকেট ভাংতে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নেয়া ট্রেড লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীদের নিলাম ডাকে অংশ নেয়ার বিধান করার দাবি জানান।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব রবিউল আলম বুলেট জানান, যারা অবৈধ সিন্ডিকেটে সুবিধাভোগ করছেন তারা বিএনপির কেউ নয়। ৫ আগস্টের পর একটি গ্রুপ নিজেদের আখেড় গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি ওই সব নামধারীদের যেকোন মূল্যে প্রতিহত করার আহ্বান জানান।