নওগাঁ ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার :
মহাদেবপুর দর্পণ.কম ও সাপ্তাহিক মহাদেবপুর দর্পণের পরীক্সষমূলক সম্প্রচারে আপনাকে স্বাগতম ## আপামর মেহনতি মানুষের অকুন্ঠ ভালোবাসায় সিক্ত নওগাঁর নিজস্ব পত্রিকা ## নওগাঁর ১১ উপজেলার সব খবর সবার আগে ## মহাদেবপুর দর্পণ একবার পড়ুন, ভালো না লাগলে আর পড়বেন না ## যেখানে অনিয়ম সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ ## যেখানে দূর্নীতি, অন্যায়, অবিচার সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে ## মহাদেবপুর দর্পণের ফেসবুক আইডিতে ফলো দিয়ে সঙ্গেই থাকি ##

ব্যক্তিত্ব : আহসান হাবীব ভোদন<<মহাদেবপুর দর্পণ>>

মহাদেবপুর দর্পণ রিপোর্ট, মহাদেবপুর (নওগাঁ), ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ :

এই মূহুর্তে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব আহসান হাবীব ভোদন। নানা কারণে আলোচিত তিনি। নিজ দলের দূর্দিনে দলের কান্ডারী হিসেবে খ্যাত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। আবালবৃদ্ধবণিতা সকলের কাছে সমান গ্রহণযোগ্য তিনি। একাধারে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান। এখন পর্যন্ত দূর্নীতির কোন অপবাদ তার বিরুদ্ধে দিতে পারেননি কেউ।

আমরা দেখেছি খুব কম বয়সে প্রগতিশীল বিরোধী ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত হন তিনি। রাস্তা কাঁপিয়েছেন হরহামেশা। নিজে মিছিলে নেতৃত্ব দিতেন। শ্লোগান দিতেন। এরই ধারাবাহিকায় একসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তার সাথে সভাপতি হিসেবে সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রয়াত ইব্রাহিম বিশ্বাস, সামসুদ্দিন মন্ডলসহ কয়েকজন দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন এই পদে রয়েছেন এলাকার এমপি আলহাজ্ব ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম। নানা কারণে সভাপতি পরিবর্তন হলেও তিনি তার পদে সকলের সমর্থন পেয়েছেন বার বার।

একসময় দলে বিভক্তি এলেও সকল বিতর্কের উর্ধে উঠে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন সুচারুরুপে। বিভক্তি থাকলেও তার ব্যাপারে কারো দ্বিমত ছিলনা। এটা তার বড় কৃতিত্ব। এখনো বিশেষ করে ইয়াং জেনারেশনের কাছে সমান জনপ্রিয় তিনি।

দলে অনেক চড়াই উৎরাই এসেছে। কিন্তু তিনি দলের সংবিধান অনুযায়ী নিজের দায়িত্ব পালনে অবিচল ছিলেন। কথা উঠেছিল নিজের ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়ায়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সে দায়িত্ব সাহসের সাথে পালন করায় প্রমাণ হয়েছে যে, ছেলের যোগ্যতা সঠিক ছিল। কথা ওঠে গত ইউপি নির্বাচনে তার ভাই বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায়। কিন্তু দলীয়ভাবে তাকে কোন সুবিধাই দেননি তিনি। এ বিষয়ে নিন্দুকেরাও তাকে কোন দোষ দিতে পারেননি।

উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করার সময় স্থানীয় দু:স্থরা তার কাছ থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা পেয়েছেন। পরিষদের কোন সদস্য বা কোন কর্মকর্তা এখনো তার বিরুদ্ধে কোন অসদাচরণের বা অন্যায় আবদারের অভিযোগ তুলতে পারেননি। শুধু দলীয় নয়, বরং দল মত নির্বিশেষে সকলেই সহযোগিতা পেয়েছেন তার কাছ থেকে।

সবচেয়ে বড় কথা তার কাছ থেকে কেউ নির্যাতিন হয়েছেন এমন কথা কেউ মুখেও আনতে পারেন না। বরং আমরা দেখেছি উপজেলা বিএনপির কাউন্সিলের সময় এক গ্রুপ আরেক গ্রুপকে হামলা করতে যাবার সময় তিনি সকলকে সতর্ক করেন। থানা পুলিশে খবর দেন। এমনকি সংঘর্ষে আহত রক্তাক্ত কয়েকজনকে নিজে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রাজনৈতিক শিষ্টারের এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন।

এতকিছুর পরেও শ্রেফ বিরোধীতা করার মানষে নিন্দুকেরা কোন বিষয়ে মন্দ বলতেই পারে। কিন্তু ভালমন্দের ভারসাম্যে সরলতায় সবসময়ই এগিয়ে তিনি। ভাল থাকবেন প্রিয় নেতা।#

আপলোডকারীর তথ্য

সর্বোচ্চ পঠিত

ব্যক্তিত্ব : আহসান হাবীব ভোদন<<মহাদেবপুর দর্পণ>>

প্রকাশের সময় : ০৫:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মহাদেবপুর দর্পণ রিপোর্ট, মহাদেবপুর (নওগাঁ), ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ :

এই মূহুর্তে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব আহসান হাবীব ভোদন। নানা কারণে আলোচিত তিনি। নিজ দলের দূর্দিনে দলের কান্ডারী হিসেবে খ্যাত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। আবালবৃদ্ধবণিতা সকলের কাছে সমান গ্রহণযোগ্য তিনি। একাধারে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান। এখন পর্যন্ত দূর্নীতির কোন অপবাদ তার বিরুদ্ধে দিতে পারেননি কেউ।

আমরা দেখেছি খুব কম বয়সে প্রগতিশীল বিরোধী ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত হন তিনি। রাস্তা কাঁপিয়েছেন হরহামেশা। নিজে মিছিলে নেতৃত্ব দিতেন। শ্লোগান দিতেন। এরই ধারাবাহিকায় একসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তার সাথে সভাপতি হিসেবে সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রয়াত ইব্রাহিম বিশ্বাস, সামসুদ্দিন মন্ডলসহ কয়েকজন দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন এই পদে রয়েছেন এলাকার এমপি আলহাজ্ব ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম। নানা কারণে সভাপতি পরিবর্তন হলেও তিনি তার পদে সকলের সমর্থন পেয়েছেন বার বার।

একসময় দলে বিভক্তি এলেও সকল বিতর্কের উর্ধে উঠে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন সুচারুরুপে। বিভক্তি থাকলেও তার ব্যাপারে কারো দ্বিমত ছিলনা। এটা তার বড় কৃতিত্ব। এখনো বিশেষ করে ইয়াং জেনারেশনের কাছে সমান জনপ্রিয় তিনি।

দলে অনেক চড়াই উৎরাই এসেছে। কিন্তু তিনি দলের সংবিধান অনুযায়ী নিজের দায়িত্ব পালনে অবিচল ছিলেন। কথা উঠেছিল নিজের ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়ায়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সে দায়িত্ব সাহসের সাথে পালন করায় প্রমাণ হয়েছে যে, ছেলের যোগ্যতা সঠিক ছিল। কথা ওঠে গত ইউপি নির্বাচনে তার ভাই বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায়। কিন্তু দলীয়ভাবে তাকে কোন সুবিধাই দেননি তিনি। এ বিষয়ে নিন্দুকেরাও তাকে কোন দোষ দিতে পারেননি।

উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করার সময় স্থানীয় দু:স্থরা তার কাছ থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা পেয়েছেন। পরিষদের কোন সদস্য বা কোন কর্মকর্তা এখনো তার বিরুদ্ধে কোন অসদাচরণের বা অন্যায় আবদারের অভিযোগ তুলতে পারেননি। শুধু দলীয় নয়, বরং দল মত নির্বিশেষে সকলেই সহযোগিতা পেয়েছেন তার কাছ থেকে।

সবচেয়ে বড় কথা তার কাছ থেকে কেউ নির্যাতিন হয়েছেন এমন কথা কেউ মুখেও আনতে পারেন না। বরং আমরা দেখেছি উপজেলা বিএনপির কাউন্সিলের সময় এক গ্রুপ আরেক গ্রুপকে হামলা করতে যাবার সময় তিনি সকলকে সতর্ক করেন। থানা পুলিশে খবর দেন। এমনকি সংঘর্ষে আহত রক্তাক্ত কয়েকজনকে নিজে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রাজনৈতিক শিষ্টারের এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন।

এতকিছুর পরেও শ্রেফ বিরোধীতা করার মানষে নিন্দুকেরা কোন বিষয়ে মন্দ বলতেই পারে। কিন্তু ভালমন্দের ভারসাম্যে সরলতায় সবসময়ই এগিয়ে তিনি। ভাল থাকবেন প্রিয় নেতা।#