নওগাঁ ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার :
মহাদেবপুর দর্পণ.কম ও সাপ্তাহিক মহাদেবপুর দর্পণের পরীক্সষমূলক সম্প্রচারে আপনাকে স্বাগতম ## আপামর মেহনতি মানুষের অকুন্ঠ ভালোবাসায় সিক্ত নওগাঁর নিজস্ব পত্রিকা ## নওগাঁর ১১ উপজেলার সব খবর সবার আগে ## মহাদেবপুর দর্পণ একবার পড়ুন, ভালো না লাগলে আর পড়বেন না ## যেখানে অনিয়ম সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ ## যেখানে দূর্নীতি, অন্যায়, অবিচার সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে ## মহাদেবপুর দর্পণের ফেসবুক আইডিতে ফলো দিয়ে সঙ্গেই থাকি ##

সম্পাদকীয় : ইতিহাস ক্ষমা করবে না<<মহাদেবপুর দর্পণ>>

মহাদেবপুর দর্পণ :

গত সংখ্যা সাপ্তাহিক মহাদেবপুর দর্পণের অষ্টম পাতায় ‘জিয়া নামকরণই কি কাল হলো? শিশুপার্ক কেন গোচারণভূমি!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, মহাদেবপুর উপজেলা সদরের একমাত্র শিশুপার্কটি এখন গোচারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় এটি এখন শিশুদের ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সককটি দোলনা, স্লিপার, রাইড ভেঙ্গে নষ্ট হয়েছে। সেগুলো মেরামতের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। কিন্তু একসময় যৌলুস ছিল এই শিশুপার্কের।…

এটা কি কোন সভ্য সমাজের কাজ হতে পারে? এই অতিপ্রয়োজনীয় শিশুপার্কটি ধংসের নিন্দা জানানোর উপযুক্ত ভাষা আমাদের জানা নেই। আমাদের শিশুরা যাবে কোথায়? আপনিওতো আপনার শিশুসন্তানের বাবা, মা। আপনার নিজের শিশুর কথাও ভাবলেন না? আগে স্কুলগুলোতে খেলাধূলার ব্যবস্থা থাকতো। এখনতো সব প্রাইভেট টিউটরদের দখলে। মহাদেবপুরের একমাত্র মাঠ প্রায়ই থাকে জলমগ্ন।

এই শিশুপার্কটি ছিল আবালবৃদ্ধবণিতার মিলন মেলার জায়গা। ক’টাকা খরচ হবে এটি মেরামত করতে? গত দেড় যুগেও এরজন্য কোন ফান্ড সংগ্রহ করতে পারলেন না? তবে কি নিন্দুকের কথাই ঠিক! প্রয়াত ডেপুটি স্পীকার আকতার হামিদ সিদ্দিকী এটি নির্মাণ করে এর নামকরণ করেছিলেন জিয়া শিশুপার্ক। শুধুমাত্র নামকরণই এটি ধংসের অযুহাত হতে পারেনা। প্রয়োজনে পূণ:নামকরণ করা হোক।

সাবেক ডেপুটি স্পীকার আরো অনেক কাজ করেছেন। এলাকাবাসীর বহু আকাঙ্খিত আত্রাই নদীর উপর বেইলী ব্রিজ করেছেন। এখন নতুন ঢালাই ব্রিজ হয়েছে। তাই বলে কি আগের সেতু উঠিয়ে নেয়া হয়েছে? নাকি কোন এক সময় ঢালাই ব্রিজটিও বন্ধ করে দেয়া হবে? এসব চিন্তা অবান্তর। শুধু শিশুপার্কটিই নয়। ডেপুটি স্পীকারের গড়া ডবলওয়ে কোন কোন জায়গায় উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সড়কের আইল্যান্ডের লোহার বেড়া খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

একইভাবে মাছের ফোয়ারা, বকের ফোয়ারা অকেজো করে রাখা হয়েছে। এগুলো উন্নতির লক্ষণ নয়। এগুলো মহাদেবপুরের ঐতিহ্য। এতবছর পরও ইতিহাস বলছে এগুলো সাবেক ডেপুটি স্পীকার করেছিলেন। যারা এগুলো ধংসের জন্য দায়ি, ইতিহাস তাদের কথাও বলবে। ইতিহাস কখনো মিথ্যা বলেনা। কাউকে ক্ষমাও করেনা। সুতরাং এখনো হয়তো সময় আছে। এগুলো মেরামত করুন। চালু করুন। একটি সত্যিকারের সমৃদ্ধ মহাদেবপুর গড়ে তুলুন। ইতিহাস মনে রাখবে।

–কাজী সাঈদ টিটো ৩.৯.২৩

আপলোডকারীর তথ্য

সর্বোচ্চ পঠিত

সম্পাদকীয় : ইতিহাস ক্ষমা করবে না<<মহাদেবপুর দর্পণ>>

প্রকাশের সময় : ০৪:৪২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মহাদেবপুর দর্পণ :

গত সংখ্যা সাপ্তাহিক মহাদেবপুর দর্পণের অষ্টম পাতায় ‘জিয়া নামকরণই কি কাল হলো? শিশুপার্ক কেন গোচারণভূমি!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, মহাদেবপুর উপজেলা সদরের একমাত্র শিশুপার্কটি এখন গোচারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় এটি এখন শিশুদের ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সককটি দোলনা, স্লিপার, রাইড ভেঙ্গে নষ্ট হয়েছে। সেগুলো মেরামতের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। কিন্তু একসময় যৌলুস ছিল এই শিশুপার্কের।…

এটা কি কোন সভ্য সমাজের কাজ হতে পারে? এই অতিপ্রয়োজনীয় শিশুপার্কটি ধংসের নিন্দা জানানোর উপযুক্ত ভাষা আমাদের জানা নেই। আমাদের শিশুরা যাবে কোথায়? আপনিওতো আপনার শিশুসন্তানের বাবা, মা। আপনার নিজের শিশুর কথাও ভাবলেন না? আগে স্কুলগুলোতে খেলাধূলার ব্যবস্থা থাকতো। এখনতো সব প্রাইভেট টিউটরদের দখলে। মহাদেবপুরের একমাত্র মাঠ প্রায়ই থাকে জলমগ্ন।

এই শিশুপার্কটি ছিল আবালবৃদ্ধবণিতার মিলন মেলার জায়গা। ক’টাকা খরচ হবে এটি মেরামত করতে? গত দেড় যুগেও এরজন্য কোন ফান্ড সংগ্রহ করতে পারলেন না? তবে কি নিন্দুকের কথাই ঠিক! প্রয়াত ডেপুটি স্পীকার আকতার হামিদ সিদ্দিকী এটি নির্মাণ করে এর নামকরণ করেছিলেন জিয়া শিশুপার্ক। শুধুমাত্র নামকরণই এটি ধংসের অযুহাত হতে পারেনা। প্রয়োজনে পূণ:নামকরণ করা হোক।

সাবেক ডেপুটি স্পীকার আরো অনেক কাজ করেছেন। এলাকাবাসীর বহু আকাঙ্খিত আত্রাই নদীর উপর বেইলী ব্রিজ করেছেন। এখন নতুন ঢালাই ব্রিজ হয়েছে। তাই বলে কি আগের সেতু উঠিয়ে নেয়া হয়েছে? নাকি কোন এক সময় ঢালাই ব্রিজটিও বন্ধ করে দেয়া হবে? এসব চিন্তা অবান্তর। শুধু শিশুপার্কটিই নয়। ডেপুটি স্পীকারের গড়া ডবলওয়ে কোন কোন জায়গায় উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সড়কের আইল্যান্ডের লোহার বেড়া খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

একইভাবে মাছের ফোয়ারা, বকের ফোয়ারা অকেজো করে রাখা হয়েছে। এগুলো উন্নতির লক্ষণ নয়। এগুলো মহাদেবপুরের ঐতিহ্য। এতবছর পরও ইতিহাস বলছে এগুলো সাবেক ডেপুটি স্পীকার করেছিলেন। যারা এগুলো ধংসের জন্য দায়ি, ইতিহাস তাদের কথাও বলবে। ইতিহাস কখনো মিথ্যা বলেনা। কাউকে ক্ষমাও করেনা। সুতরাং এখনো হয়তো সময় আছে। এগুলো মেরামত করুন। চালু করুন। একটি সত্যিকারের সমৃদ্ধ মহাদেবপুর গড়ে তুলুন। ইতিহাস মনে রাখবে।

–কাজী সাঈদ টিটো ৩.৯.২৩