নওগাঁ ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার :
মহাদেবপুর দর্পণ.কম ও সাপ্তাহিক মহাদেবপুর দর্পণের পরীক্সষমূলক সম্প্রচারে আপনাকে স্বাগতম ## আপামর মেহনতি মানুষের অকুন্ঠ ভালোবাসায় সিক্ত নওগাঁর নিজস্ব পত্রিকা ## নওগাঁর ১১ উপজেলার সব খবর সবার আগে ## মহাদেবপুর দর্পণ একবার পড়ুন, ভালো না লাগলে আর পড়বেন না ## যেখানে অনিয়ম সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ ## যেখানে দূর্নীতি, অন্যায়, অবিচার সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে ## মহাদেবপুর দর্পণের ফেসবুক আইডিতে ফলো দিয়ে সঙ্গেই থাকি ##

এ সপ্তাহের খুৎবা : জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের হেফাজতকারির জন্য রয়েছে জান্নাত<<মহাদেবপুর দর্পণ>>

মহাদেবপুর দর্পণ : গত শুক্রবার ছিল ১৮ আগষ্ট ২০২৩, ১৪৪৫ হিজরির মহররম মাসের ৩০ তারিখ। মাসের শেষ খুৎবা। মহাদেবপুর উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় জামেহ মসজিদের খতিব উপাধ্যক্ষ মাওলানা মো: জিল্লুর রহমান জুম্মার নামাজের আগে বাংলায় খুৎবায় যে আলোচনা করেন তার সারাংশ মহাদেবপুর দর্পণের অগণিত পাঠক পাঠিকার জন্য পত্রস্থ করা হলো :

ইমাম সাহেব আজ আলোচনা করেন জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের হেফাজত সম্পর্কে। তিনি এ সম্পর্কীত মহান আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের পবিত্র কুরআনের আয়াত ও অসংখ্য হাদিস পড়ে শোনান ও তার ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, রসুল (স:) বলেছেন, যে দুই চোয়াল ও দুই পায়ের মাঝখানের অংশ হেফাজত করবে আমি তাকে বেহেস্তে পৌঁছানোর দায়িত্ব নিব। দুই চোয়ালের মাঝখানে থাকে জিহ্বা। আর দুই পায়ের মাঝখানে থাকে লজ্জাস্থান। মানুষ জিহ্বা দিয়ে অনেক ভাল কাজ করে। আবার অনেক খারাপ কাজও করে। জিহ্বা দিয়ে পবিত্র কুরআন তেলওয়াত করেন। সত্য কথা বলেন। অন্যায় কাজ প্রতিহত করেন। আবার মিথ্যা কথা বলেন। অন্যের গীবত করেন। চোগলখোরের জায়গা হবে জাহান্নাম। চেগলখোরের অর্থ গীবত করা। কারো অনুপস্থিতিতে তার সমালোচনা করা। একজন সাহাবী রসুল (স:) কে জিজ্ঞাসা করলেন, যে বিষয়ে সমালোচনা করছেন সেটা যদি সত্য হয়? রসুল (স:) বললেন সত্য হলেই তো গীবত। আর সেটা মিথ্যা হলে আরও বেশি অপরাধ। যে চুপ থাকলো সে পার পেয়ে গেলো। অর্থাৎ পরিস্থিতি অনুযাযী অনেক জায়াগায় চুপ থাকাই ভালো। তবে খারাপ কিছু হলে অবশ্যই তার প্রতিবাদ করতে হবে।

এ পর্যায়ে ইমাম সাহেব একটি গল্প শোনান। একজন দুষ্টু রাখাল বালক মজা করার জন্য গ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে বাঁচাও, বাঁচাও, আমাকে বাঘে ধরেছে, বাঘের হাত থেকে আমাকে বাঁচাও বলে চিৎকার করতে থাকে। গ্রামবাসী লাঠি সোঠা নিয়ে এগিয়ে যান। তাদের দেখে দুষ্টু বালক হাঁসতে থাকে। গ্রামবাসী বুঝতে পারেন যে, বালক মিথ্যা কথা বলছে। পরদিন আবার। গ্রামবাসী আবার তাকে বাঘের হাত থেকে বাঁচাতে ছুটে আসেন। কিন্তু তাদের দেখে দুষ্টু বালক আবার হাঁসিতে আটখানা হয়। তৃতীয় দিন সত্যি সত্যিই একটি বাঘ ওই দুষ্টু রাখালকে আক্রমন করে। যথারীতি সে সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে থাকে। কিন্তু গ্রামবাসী আর এগিয়ে আসেনি। ফলে বাঘের পেটেই যেতে হয় তাকে।

ইমাম সাহেব লজ্জাস্থানের হেফাজত সম্পর্কে অনেকগুলো হাদিস পাঠ করেন। এসব হাদিসে লজ্জাস্থানের হেফাজতে কঠোর হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে। যারা হেফাজত করবে তাদের জন্য দেয়া হয়েছে সুসংবাদ। ইমাম সাহেব এ সম্পর্কেও একটি গল্প বলেন। একবার তিন সাহাবী সফরে বেরিয়েছেন। পথে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে তারা একটি পাহাড়ের গর্তে আশ্রয় নেন। কিন্তু হঠাৎ একটি বড় পাথর এসে গর্তের মুখ বন্ধ করে দেয়। অনেক চেষ্ট করেও তারা সে পাথর গর্তের মুখ থেকে সরাতে ব্যর্থ হন। তারা ভেবেই নেন যে, এখানেই তাদের মৃত্যু হবে। তিনজন পরামর্শ করে যার যার ভাল কাজ আছে সেগুলো স্মরণ করে মহান আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের নিকট সাহায্য চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

একজন সাহাবী একটি ঘটনার উল্লেখ করলেন, একজন শ্রমিক তার বাড়িতে কাজ করে টাকা না নিয়েই চলে যান। সাহাবী তার বেতনের টাকা দিয়ে ছাগল কিনে লালন পালন করেন। একসময় অসংখ্য ছাগলের পাল হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পর ওই শ্রমিক ফিরে এসে তার বেতন চান। সাহাবী ছাগলের পাল দেখে দিয়ে বলেন, এগুলো সব আপনার, নিয়ে যান। ওই শ্রমিক সব শুনে খুশি হয়ে সব ছাগল নিয়ে চলে যান। সাহাবী দোওয়া করেন আল্লাহ এই বিষয় যদি তোমার ভাল লাগে তাহলে আমাদের গুহার মুখের পাথরটি সরিয়ে দাও। আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীন পাথরটি একটু সরিয়ে দিলেন। এতে পাথরের ফাঁক দিয়ে আকাশ দেখা যায়।

আরেকজন সাহাবী একটি ঘটনা বললেন, তার বৃদ্ধ বাবা মা বেঁচে ছিলেন। আবার তার স্ত্রী-সন্তানও ছিল। তিনি প্রতিদিন ছাগল চড়ানোর পর সন্ধ্যায় ছাগলের দুধ দুইয়ে সবার আগে তার বৃদ্ধ বাবা মাকে পান করাতেন। তারপর তার স্ত্রী-সন্তানদের। কিন্তু একদিন তার বাবা মা আগেই ঘুমিয়ে পড়েন। দুধ নিয়ে তিনি তাদের ঘুম ভাঙ্গার অপেক্ষায় থাকেন। তার সন্তানেরা ক্ষুধায় কাঁদতে থাকেন। কিন্তু বৃদ্ধরা ঘুম থেকে উঠতে তাদেরকে পান করিয়ে তবেই তার সন্তানদের পান করান। তিনি এই ঘটনা উল্লেখ করে আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন যে, ইয়া আল্লাহ এটা যদি তোমার পছন্দ হয়ে থাকে তবে এই অছিলায় পাথরটি সরিয়ে দাও। দোওয়া করার পর পাথরটি আরও একটু সরে যায়। তবে পুরোপুরি নয়।

এবার তৃতীয় সাহাবীও একটি ঘটনার উল্লেখ করলেন। তিনি বললেন, তিনি তার চাচাতো বোনকে কুপ্রস্তাব দেন। তার চাচাতো বোন এজন্য অনেক টাকা দাবি করেন। এরপর ওই সাহাবী অনেকদিন কাজ করে টাকা সংগ্রহ করে তার চাচাতো বোনকে দেন। তিনি তখন রাজি হন। তারা একটি নির্জন ঘরে যান। সেখানে অনৈতিক কাজের প্রস্তুতি নেন। এসময় মেয়েটি বলেন, আমাদেরকে কেউ না দেখলেও আল্লাহ ঠিকই দেখছেন। আল্লাহকে ভয় কর। তখন সাহাবী শুধুমাত্র আল্লাহর ভয়ে সে কাজ থেকে ফিরে যান। তিনি দোওয়া করেন আল্লাহ এই কাজটি যদি তোমার ভাল লাগে তাহলে আমাদের পাথরটি সরিয়ে দাও। এসময় পাথরটি সম্পূর্ণ সরে গিয়ে গুহার মুখটি খুলে যায়।

আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীন আমাদেরকে নিজের জিহ্বা আর লজ্জাস্থানের হেফাজত করা তৌফিক দান করুন। আমিন।—শুনে শুনে লেখা সাঈদ টিটো ১৮.৮.২০২৩

আপলোডকারীর তথ্য

সর্বোচ্চ পঠিত

এ সপ্তাহের খুৎবা : জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের হেফাজতকারির জন্য রয়েছে জান্নাত<<মহাদেবপুর দর্পণ>>

প্রকাশের সময় : ১২:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৩

মহাদেবপুর দর্পণ : গত শুক্রবার ছিল ১৮ আগষ্ট ২০২৩, ১৪৪৫ হিজরির মহররম মাসের ৩০ তারিখ। মাসের শেষ খুৎবা। মহাদেবপুর উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় জামেহ মসজিদের খতিব উপাধ্যক্ষ মাওলানা মো: জিল্লুর রহমান জুম্মার নামাজের আগে বাংলায় খুৎবায় যে আলোচনা করেন তার সারাংশ মহাদেবপুর দর্পণের অগণিত পাঠক পাঠিকার জন্য পত্রস্থ করা হলো :

ইমাম সাহেব আজ আলোচনা করেন জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের হেফাজত সম্পর্কে। তিনি এ সম্পর্কীত মহান আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের পবিত্র কুরআনের আয়াত ও অসংখ্য হাদিস পড়ে শোনান ও তার ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, রসুল (স:) বলেছেন, যে দুই চোয়াল ও দুই পায়ের মাঝখানের অংশ হেফাজত করবে আমি তাকে বেহেস্তে পৌঁছানোর দায়িত্ব নিব। দুই চোয়ালের মাঝখানে থাকে জিহ্বা। আর দুই পায়ের মাঝখানে থাকে লজ্জাস্থান। মানুষ জিহ্বা দিয়ে অনেক ভাল কাজ করে। আবার অনেক খারাপ কাজও করে। জিহ্বা দিয়ে পবিত্র কুরআন তেলওয়াত করেন। সত্য কথা বলেন। অন্যায় কাজ প্রতিহত করেন। আবার মিথ্যা কথা বলেন। অন্যের গীবত করেন। চোগলখোরের জায়গা হবে জাহান্নাম। চেগলখোরের অর্থ গীবত করা। কারো অনুপস্থিতিতে তার সমালোচনা করা। একজন সাহাবী রসুল (স:) কে জিজ্ঞাসা করলেন, যে বিষয়ে সমালোচনা করছেন সেটা যদি সত্য হয়? রসুল (স:) বললেন সত্য হলেই তো গীবত। আর সেটা মিথ্যা হলে আরও বেশি অপরাধ। যে চুপ থাকলো সে পার পেয়ে গেলো। অর্থাৎ পরিস্থিতি অনুযাযী অনেক জায়াগায় চুপ থাকাই ভালো। তবে খারাপ কিছু হলে অবশ্যই তার প্রতিবাদ করতে হবে।

এ পর্যায়ে ইমাম সাহেব একটি গল্প শোনান। একজন দুষ্টু রাখাল বালক মজা করার জন্য গ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে বাঁচাও, বাঁচাও, আমাকে বাঘে ধরেছে, বাঘের হাত থেকে আমাকে বাঁচাও বলে চিৎকার করতে থাকে। গ্রামবাসী লাঠি সোঠা নিয়ে এগিয়ে যান। তাদের দেখে দুষ্টু বালক হাঁসতে থাকে। গ্রামবাসী বুঝতে পারেন যে, বালক মিথ্যা কথা বলছে। পরদিন আবার। গ্রামবাসী আবার তাকে বাঘের হাত থেকে বাঁচাতে ছুটে আসেন। কিন্তু তাদের দেখে দুষ্টু বালক আবার হাঁসিতে আটখানা হয়। তৃতীয় দিন সত্যি সত্যিই একটি বাঘ ওই দুষ্টু রাখালকে আক্রমন করে। যথারীতি সে সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে থাকে। কিন্তু গ্রামবাসী আর এগিয়ে আসেনি। ফলে বাঘের পেটেই যেতে হয় তাকে।

ইমাম সাহেব লজ্জাস্থানের হেফাজত সম্পর্কে অনেকগুলো হাদিস পাঠ করেন। এসব হাদিসে লজ্জাস্থানের হেফাজতে কঠোর হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে। যারা হেফাজত করবে তাদের জন্য দেয়া হয়েছে সুসংবাদ। ইমাম সাহেব এ সম্পর্কেও একটি গল্প বলেন। একবার তিন সাহাবী সফরে বেরিয়েছেন। পথে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে তারা একটি পাহাড়ের গর্তে আশ্রয় নেন। কিন্তু হঠাৎ একটি বড় পাথর এসে গর্তের মুখ বন্ধ করে দেয়। অনেক চেষ্ট করেও তারা সে পাথর গর্তের মুখ থেকে সরাতে ব্যর্থ হন। তারা ভেবেই নেন যে, এখানেই তাদের মৃত্যু হবে। তিনজন পরামর্শ করে যার যার ভাল কাজ আছে সেগুলো স্মরণ করে মহান আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের নিকট সাহায্য চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

একজন সাহাবী একটি ঘটনার উল্লেখ করলেন, একজন শ্রমিক তার বাড়িতে কাজ করে টাকা না নিয়েই চলে যান। সাহাবী তার বেতনের টাকা দিয়ে ছাগল কিনে লালন পালন করেন। একসময় অসংখ্য ছাগলের পাল হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পর ওই শ্রমিক ফিরে এসে তার বেতন চান। সাহাবী ছাগলের পাল দেখে দিয়ে বলেন, এগুলো সব আপনার, নিয়ে যান। ওই শ্রমিক সব শুনে খুশি হয়ে সব ছাগল নিয়ে চলে যান। সাহাবী দোওয়া করেন আল্লাহ এই বিষয় যদি তোমার ভাল লাগে তাহলে আমাদের গুহার মুখের পাথরটি সরিয়ে দাও। আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীন পাথরটি একটু সরিয়ে দিলেন। এতে পাথরের ফাঁক দিয়ে আকাশ দেখা যায়।

আরেকজন সাহাবী একটি ঘটনা বললেন, তার বৃদ্ধ বাবা মা বেঁচে ছিলেন। আবার তার স্ত্রী-সন্তানও ছিল। তিনি প্রতিদিন ছাগল চড়ানোর পর সন্ধ্যায় ছাগলের দুধ দুইয়ে সবার আগে তার বৃদ্ধ বাবা মাকে পান করাতেন। তারপর তার স্ত্রী-সন্তানদের। কিন্তু একদিন তার বাবা মা আগেই ঘুমিয়ে পড়েন। দুধ নিয়ে তিনি তাদের ঘুম ভাঙ্গার অপেক্ষায় থাকেন। তার সন্তানেরা ক্ষুধায় কাঁদতে থাকেন। কিন্তু বৃদ্ধরা ঘুম থেকে উঠতে তাদেরকে পান করিয়ে তবেই তার সন্তানদের পান করান। তিনি এই ঘটনা উল্লেখ করে আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন যে, ইয়া আল্লাহ এটা যদি তোমার পছন্দ হয়ে থাকে তবে এই অছিলায় পাথরটি সরিয়ে দাও। দোওয়া করার পর পাথরটি আরও একটু সরে যায়। তবে পুরোপুরি নয়।

এবার তৃতীয় সাহাবীও একটি ঘটনার উল্লেখ করলেন। তিনি বললেন, তিনি তার চাচাতো বোনকে কুপ্রস্তাব দেন। তার চাচাতো বোন এজন্য অনেক টাকা দাবি করেন। এরপর ওই সাহাবী অনেকদিন কাজ করে টাকা সংগ্রহ করে তার চাচাতো বোনকে দেন। তিনি তখন রাজি হন। তারা একটি নির্জন ঘরে যান। সেখানে অনৈতিক কাজের প্রস্তুতি নেন। এসময় মেয়েটি বলেন, আমাদেরকে কেউ না দেখলেও আল্লাহ ঠিকই দেখছেন। আল্লাহকে ভয় কর। তখন সাহাবী শুধুমাত্র আল্লাহর ভয়ে সে কাজ থেকে ফিরে যান। তিনি দোওয়া করেন আল্লাহ এই কাজটি যদি তোমার ভাল লাগে তাহলে আমাদের পাথরটি সরিয়ে দাও। এসময় পাথরটি সম্পূর্ণ সরে গিয়ে গুহার মুখটি খুলে যায়।

আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীন আমাদেরকে নিজের জিহ্বা আর লজ্জাস্থানের হেফাজত করা তৌফিক দান করুন। আমিন।—শুনে শুনে লেখা সাঈদ টিটো ১৮.৮.২০২৩