নওগাঁ ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫, ৩ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার :
মহাদেবপুর দর্পণ.কম ও সাপ্তাহিক মহাদেবপুর দর্পণের পরীক্সষমূলক সম্প্রচারে আপনাকে স্বাগতম ## আপামর মেহনতি মানুষের অকুন্ঠ ভালোবাসায় সিক্ত নওগাঁর নিজস্ব পত্রিকা ## নওগাঁর ১১ উপজেলার সব খবর সবার আগে ## মহাদেবপুর দর্পণ একবার পড়ুন, ভালো না লাগলে আর পড়বেন না ## যেখানে অনিয়ম সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ ## যেখানে দূর্নীতি, অন্যায়, অবিচার সেখানেই মহাদেবপুর দর্পণ সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে ## মহাদেবপুর দর্পণের ফেসবুক আইডিতে ফলো দিয়ে সঙ্গেই থাকি ##

সাপাহারের সোহেলের আমের দ্বিতীয় চালান যাচ্ছে ইংল্যান্ডে<<মহাদেবপুর দর্পণ>>

Spread the love

মহাদেবপুর দর্পণ, কিউ, এম, সাঈদ টিটো, নওগাঁ, ২১ জুন ২০২১ :

নওগাঁ সাপাহারের সফল উদ্যোক্তা সোহেল রানার বাগানের আম দ্বিতীয় দফায় পারি জমাচ্ছে ইংল্যান্ডে। সোমবার (২১ জুন) দ্বিতীয় চালানে সাপাহার ‘বরেন্দ্র অ্যাগ্রো পার্ক’ ও ‘রূপ অ্যাগ্রো ফার্ম’ থেকে এক হাজার ২৪০ কেজি আম্রপালি জাতের আম ঢাকার শ্যামপুরে পাঠানো হয়েছে। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাতেই যুক্তরাজ্যে পৌঁছাবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) প্রথম চালানের এক মেট্রিক টন আম ইংল্যান্ডে পাঠানো হয়। বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড ভেজিটেবল এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে এগুলো রপ্তানি করা হয়।

দেশে আম উৎপাদনকারী অন্যতম প্রধান জেলা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা নওগাঁ। এ জেলায় উৎপাদিত আমের ৬০ শতাংশই আম্রপালি জাতের আম (বারি আম-৩)। এ জন্য নওগাঁ আম্রপালি আমের জেলা হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে শুরু করেছে। এ জেলার সাপাহার, পোরশা, নিয়ামতপুর ও পতœীতলা উপজেলায় আ¤্রপালি বেশি হয়ে থাকে।

সাপাহার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুজিবর রহমান বলেন, ‘আম চাষের জন্য উপজেলার ১৫ জন চাষিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাদের উৎপাদিত ক্ষতিকর রাসায়নিকমুক্ত আম বিদেশে পাঠানোর জন্য উপযুক্ত।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন বলেন, ‘সাপাহারের আম বিদেশে রপ্তানি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। উপজেলা প্রশাসন থেকে আমরা বিভিন্ন রকমের দিক নির্দেশনা প্রদান ও পদক্ষেপ গ্রহন করেছি। সে দেশ থেকে আমরা ভাল ফিডব্যাক পেয়েছি। যে আম দেশের বাজারে দুই হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে, সেই আম রপ্তানিকারকদের কাছে চার হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি করছেন চাষিরা। এতে করে এই এলাকার চাষীরা লাভবান হচ্ছেন।’

তরুণ আমচাষি সোহেল রানা বলেন, ‘১০৭ বিঘা জমিতে গড়ে তোলা বাগানে দেড় হাজার আম্রপালি জাতের আমগাছ আছে। এ বছর ৫০০ আম্রপালি জাতের গাছের আমে ফ্রুট ব্যাগিং করেছেন বিদেশে আম রপ্তানির জন্য। কারণ রোগবালাইমুক্ত আমই বিদেশে যায়। এরপরও যেসব আম বিদেশে রপ্তানি করা হবে, সেগুলো ঢাকাতে পরীক্ষা করা হয়। ওই পরীক্ষার মাধ্যমে আমে কোনো রোগবালাই বা কীটনাশক আছে কি না, তা নিশ্চিত করা হয়। এরপর তা বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়।’

১৭ জুন এক মেট্রিক টন আম্রপালি আম কোনো ঝামেলা ছাড়াই বিদেশে পাঠাতে পেরেছেন তিনি। দ্বিতীয় চালান নিয়েও ঝামেলা হবে না বলে তিনি মনে করেন। তিনি আশা করছেন, এ বছর আরও ২০ মেট্রিক টন আম রপ্তানি করতে পারবেন। যুক্তরাজ্য ছাড়াও ফিনল্যান্ড, ইতালি ও সুইডেনে আম পাঠানোর জন্য তিনি অর্ডার পেয়েছেন বলেও জানান।#

আপলোডকারীর তথ্য

সাপাহারের সোহেলের আমের দ্বিতীয় চালান যাচ্ছে ইংল্যান্ডে<<মহাদেবপুর দর্পণ>>

প্রকাশের সময় : ০২:০৮:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুন ২০২১
Spread the love

মহাদেবপুর দর্পণ, কিউ, এম, সাঈদ টিটো, নওগাঁ, ২১ জুন ২০২১ :

নওগাঁ সাপাহারের সফল উদ্যোক্তা সোহেল রানার বাগানের আম দ্বিতীয় দফায় পারি জমাচ্ছে ইংল্যান্ডে। সোমবার (২১ জুন) দ্বিতীয় চালানে সাপাহার ‘বরেন্দ্র অ্যাগ্রো পার্ক’ ও ‘রূপ অ্যাগ্রো ফার্ম’ থেকে এক হাজার ২৪০ কেজি আম্রপালি জাতের আম ঢাকার শ্যামপুরে পাঠানো হয়েছে। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাতেই যুক্তরাজ্যে পৌঁছাবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) প্রথম চালানের এক মেট্রিক টন আম ইংল্যান্ডে পাঠানো হয়। বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড ভেজিটেবল এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে এগুলো রপ্তানি করা হয়।

দেশে আম উৎপাদনকারী অন্যতম প্রধান জেলা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা নওগাঁ। এ জেলায় উৎপাদিত আমের ৬০ শতাংশই আম্রপালি জাতের আম (বারি আম-৩)। এ জন্য নওগাঁ আম্রপালি আমের জেলা হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে শুরু করেছে। এ জেলার সাপাহার, পোরশা, নিয়ামতপুর ও পতœীতলা উপজেলায় আ¤্রপালি বেশি হয়ে থাকে।

সাপাহার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুজিবর রহমান বলেন, ‘আম চাষের জন্য উপজেলার ১৫ জন চাষিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাদের উৎপাদিত ক্ষতিকর রাসায়নিকমুক্ত আম বিদেশে পাঠানোর জন্য উপযুক্ত।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন বলেন, ‘সাপাহারের আম বিদেশে রপ্তানি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। উপজেলা প্রশাসন থেকে আমরা বিভিন্ন রকমের দিক নির্দেশনা প্রদান ও পদক্ষেপ গ্রহন করেছি। সে দেশ থেকে আমরা ভাল ফিডব্যাক পেয়েছি। যে আম দেশের বাজারে দুই হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে, সেই আম রপ্তানিকারকদের কাছে চার হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি করছেন চাষিরা। এতে করে এই এলাকার চাষীরা লাভবান হচ্ছেন।’

তরুণ আমচাষি সোহেল রানা বলেন, ‘১০৭ বিঘা জমিতে গড়ে তোলা বাগানে দেড় হাজার আম্রপালি জাতের আমগাছ আছে। এ বছর ৫০০ আম্রপালি জাতের গাছের আমে ফ্রুট ব্যাগিং করেছেন বিদেশে আম রপ্তানির জন্য। কারণ রোগবালাইমুক্ত আমই বিদেশে যায়। এরপরও যেসব আম বিদেশে রপ্তানি করা হবে, সেগুলো ঢাকাতে পরীক্ষা করা হয়। ওই পরীক্ষার মাধ্যমে আমে কোনো রোগবালাই বা কীটনাশক আছে কি না, তা নিশ্চিত করা হয়। এরপর তা বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়।’

১৭ জুন এক মেট্রিক টন আম্রপালি আম কোনো ঝামেলা ছাড়াই বিদেশে পাঠাতে পেরেছেন তিনি। দ্বিতীয় চালান নিয়েও ঝামেলা হবে না বলে তিনি মনে করেন। তিনি আশা করছেন, এ বছর আরও ২০ মেট্রিক টন আম রপ্তানি করতে পারবেন। যুক্তরাজ্য ছাড়াও ফিনল্যান্ড, ইতালি ও সুইডেনে আম পাঠানোর জন্য তিনি অর্ডার পেয়েছেন বলেও জানান।#